চাইলেই একাউন্ট বন্ধ করতে পারবে না Facebook, Twitter

প্রায়শঃই দেখা যায় কোন অভিযোগ ছাড়াই হুটহাট যে কারো একাউন্ট বন্ধ করে দিচ্ছে Facebook, Twitter সহ সোশ্যাল মিডিয়াগুলো। তবে ভারত সরকার সাফ জানিয়ে দিয়েছে ভারতে ব্যবসা করতে হলে সোশ্যাল মিডিয়া জায়ান্টগুলিকে ভারতের আইন মেনে চলতে হবে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো বাক স্বাধীনতা রক্ষা।

বিনা কারণে একাউন্ট বন্ধ করা বাক স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ

জানা যায়, ভরতের তথ্য প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় গত সপ্তাহেই Facebook এর মূল কোম্পানি মেটা এবং Twitter এর বিরুদ্ধে আদালতে একটি মামলা দায়ের করেছে। অভিযোগ হলো, বাক স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ করে ভারতীয় সংবিধান অবমাননা করেছে এ দুটি সোশ্যাল মিডিয়া।

অভিযোগে বলা হয়, ৩ বছর আগে আইনজীবী সঞ্জয় হেজের টুইটার অ্য়াকাউন্ডটি সাসপেন্ড করে দেওয়া হয়েছিল। যা ছিল সংবিধান বিরুদ্ধ। ভারতীয় সংবিধানে প্রত্যেকের বাক স্বাধীনতা রয়েছে। কিন্তু টুইটার (Twitter) কোন কারণ ছাড়াই অ্যাকাউন্ট সাসপেন্ড করেছিল। এ থেকেই মামলার সূত্রপাত।

ইতোমধ্যে ভারত সরকার সোশ্যাল মিডিয়াগুলোর বিষয়ে একটি নীতিমালা প্রণয়ন করে। যাতে বলা হয়েছে, ইউজারদের অ্যাকাউন্ট সাসপেন্ড করার ক্ষেত্রে ভারতীয় আইন মানতে হবে। তাদের অ্যাকাউন্ট সাসপেন্ড কিংবা কোনও পোস্ট সরিয়ে ফেলার আগে ইউজারকে সে বিষয়ে ব্যাখ্যার জন্য পর্যাপ্ত সময় দিতে হবে। তবে ইউজাররা কোনও পোস্টে সন্ত্রাস ছড়ালে কিংবা ধর্ষণের হুমকি দিলে, তার একাউন্ট দ্রুত সাসপেন্ড করার ক্ষেত্রে কোন বাধা নেই। বিনা কারণে একাউন্ট বন্ধ করে বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই ফেসবুক ও টুইটার বাক স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ করে ভারতীয় সংবিধানকে অসম্মান করছে।

আরো জানা যায় যে, ওই নীতিমালা ফেসবুক মেনে নিলেও টুইটার কোন ভ্রুক্ষেপ করে নাই। পরে অবশ্য টুইটার সব শর্ত মেনে নেয়। কিন্তু এরপরেও আইনজীবী সঞ্জয় হেজের টুইটার অ্য়াকাউন্ডটি চালু করে দেয়নি।

Leave a Reply