Super Earth: খোঁজ মিলল ৪ গুণ বড় ‘দ্বিতীয়’ পৃথিবীর

আমাদের পৃথিবী থেকে মাত্র ৩৬.৪ আলোকবর্ষ দূরে আরেক পৃথিবীর সন্ধান পাওয়া গেছে। তবে পৃথিবী থেকে এটি ৪ গুণ বড় হওয়ায় একে বলা হয় ‘Super Earth’ অর্থাৎ ‘সুপার পৃথিবী’। বিজ্ঞানীরা বলছেন, নতুন এই গ্রহের চরিত্র অনেকটা পৃথিবীর মতোই। এটি পৃথিবীর মতই রুক্ষ এবং পাথুরে, যে কোনও বড় গ্রহের মত পুরোপুরি গ্যাসীয় নয়। তাই কেউ কেউ আবার একে আখ্যা দিচ্ছে দ্বিতীয় পৃথিবী় হিসেবে।

জানা যায়, এই exoplanet টি Ross 508 নামক একটি লাল বামন তারাকে (Red Dwarf Star) প্রদক্ষিণ করছে। তাই এই গ্রহটির নাম দেওয়া হয়েছে, Ross 508b।

Super Earth বসবাসযোগ্য!

বিজ্ঞানীরা ধারণা করছেন, এই গ্রহটি বসবাসযোগ্য কারণ টি নিজের নক্ষত্রের হ্যাবিটেবল জোনে অবস্থান করছে। হ্যাবিটেবল জোন বলা হয় সেই দূরত্বকে, কোনও গ্রহ তার নক্ষত্র থেকে যে দূরত্বে থাকলে তাতে প্রাণ বেড়ে ওঠার জন্য উপযুক্ত তাপমাত্রা বিরাজ করে। পৃথিবী-ও সূর্যের হ্যাবিটেবল জোনে-ই অবস্থিত। তাই Ross 508b বলা হচ্ছে দ্বিতীয় পৃথিবী়। হাওয়াই দ্বীপপুঞ্জের National Astronomical Observatory of Japan -এর Subaru Telescope -এর মাধ্যমে প্রথম নজরে আসে এই Ross 508b এর।

তবে Ross 508b যে নক্ষত্রকে প্রদক্ষিণ করছে, সেই Ross 508 আমাদের সূর্যের থেকে অনেকটাই ছোট। সূর্যের ভরের প্রায় ১৮ শতাংশ এই লাল বামন নক্ষত্রটির ভর। যাকে Ross 508b মাত্র ১০.৭৫ দিনেই একবার সম্পূর্ণ প্রদক্ষিণ করে। অন্যদিকে Ross 508-কে সবথেকে ক্ষুদ্র এবং অস্পষ্ট নক্ষত্র হিসেবে বিবেচনা করা হয়।

অন্যদিকে, আরেকদল বিশ্লেষক বলছেন, নিজ নক্ষত্রের হ্যাবিটেবল জোনে থাকলেই যে কোনও গ্রহে প্রাণ থাকতে হবে, এমন কোনও বাধ্যবাধকতা নেই। পৃথিবীর মত মঙ্গল-ও সূর্যের হ্যাবিটেবল জোনে অবস্থান করছে। কিন্তু এখনও পর্যন্ত লালগ্রহে প্রাণের কোনও অস্তিত্ব খুঁজে পাননি বিজ্ঞানীর দল। স্বাভাবিকভাবেই তাই Ross 508b-কে নিয়েও পুরোপুরি নিশ্চিত হওয়া যাচ্ছে না।

Leave a Reply